খেলার মাঠে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে

1
34
খেলার মাঠে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে

খেলার মাঠে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে। লালমনিরহাট জেলা শহরের শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলা ও শরীরচর্চার এক প্রাণকেন্দ্র লালমনিরহাট কালেক্টরেট খেলার মাঠ। কিন্তু মাঠটিতে বুধবার (২৩ নভেম্বর) থেকে কোনো খেলাধুলা নেই। উল্টো মাঠ খোঁড়াখুঁড়ি করে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলা-২০২২-এর অবকাঠামো নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

লালমনিরহাট জেলা শহরের আবাসিক এলাকায় এই মাঠে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলা বসানোর অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। আর খেলার মাঠ মোটা টাকায় মেলার জন্য ভাড়া দিয়েছে লালমনিরহাটের প্রশাসন।

স্থানীয়রা বলছেন, খেলার মাঠে লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলা বসানোর কারণে শুধু আবাসিক এলাকার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে না, খোঁড়াখুঁড়ির কারণে মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মেলা শেষ হওয়ার পরও এটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

এই মেলার আয়োজনে দি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, লালমনিরহাট। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মনতা ইভেন্ট ম্যানেজেমেন্ট, দিনাজপুর।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলা-২০২২ এর অবকাঠামো নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন হয়।

পর্যালোচনা করে জানা গেছে, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০-এর ৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, খেলার মাঠ অন্য কোনোভাবে ব্যবহার করা যাইবে না বা অনুরূপ ব্যবহারের জন্য ভাড়া, ইজারা বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করা যাবে না৷ কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অনধিক ৫ বৎসরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন মর্মে বিধান আছে।

জানা গেছে, লালমনিরহাট শিল্প ও বাণিজ্য মেলার জন্য বুধবার (২৩ নভেম্বর) থেকে লালমনিরহাট কালেক্টরেট খেলার মাঠে খোঁড়াখুঁড়ি করে নির্মাণ করা হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা। এতে বন্ধ হয়ে পড়েছে সব ধরনের খেলাধুলা ও অনুশীলন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের সিংহভাগ অংশজুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে। প্যান্ডেলের চারপাশে স্টল বানানো হচ্ছে। মাঠের ভেতরেও আছে বেশ কিছু স্টল। মাঠের চারদিকে নানা রাইড স্থাপন করা হচ্ছে। মেলার প্রবেশমুখে স্থায়ী অবকাঠামোর মতো স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সকালের নাস্তায় কি শর্করা খাবেন?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, আবাসিক এলাকা ঘেঁষে মাসব্যাপী এই মেলা চলবে। যা খুবই দুঃখজনক। এ থেকে পরিত্রাণ চাই।

খেলোয়াড়রা বলছেন, ঐতিহ্যবাহী এই খেলার মাঠে যুগ যুগ ধরে খেলাধুলা ও চর্চা করে আসছেন খেলোয়াড়রা। শহরের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলায় ভরসাও এই মাঠ।

1 মন্তব্য

একটি রিপ্লাই দিন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.