কবি ফজলুল হায়দার চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক ২০২০ প্রদাণ

0
115
ফজলুল হায়দার চৌধুরীকে সম্মাননা প্রদাণ

টাঙ্গাইলের কবি ফজলুল হায়দার চৌধুরীকে কচিপাতা ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে গত ১১ জুলাই, ২০২০ দেয়া হয় কচিপাতা ম্যাগাজিন সম্মাননা স্মারক ২০২০।

ফজলুল হায়দার চৌধুরী শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের কৃতিসন্তান। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি উপত্যকায় বংশাই নদীর পাড়ে ধলাপাড়ায় তাদের পারিবারিক বসতবাড়ি “চৌধুরী ম্যানর” প্রাকৃতিক নিসর্গের লীলাভ‚মি শুধু তাই নয়, সাহিত্য-সংস্কৃতির নানা উপাদানে সমৃদ্ধ। তার সাহিত্যচর্চা যেমন পারিবারিক ঐতিহ্যের তেমনি সহজাতও।

বিজ্ঞাপন

কবি ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ ফ্রেবুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্ব ফয়েজ উদ্দিন চৌধুরী এবং মাতা রাশিদা বেগম চৌধুরানী। তার লেখাপড়ার সূচনা দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত ধলাপাড়া ছমির উদ্দিন চৌধুরী পাবলিক হাইস্কুলে। এখান থেকে তিনি ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, কাগমারী থেকে বি.এ এবং ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড ডিগ্রী লাভ করেন। পেশাগত জীবনে সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন, সাংবাদিকতা করেছেন। শেষে নিজ গ্রামে ধলাপাড়া চন্দনগণ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করেছেন।

শিক্ষাজীবন থেকেই তার সাহিত্যচর্চা শুরু। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশ হয়ে আসছে। এর মধ্যে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে কাব্য ‘দিন শেষে’, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ছড়া ‘চাঁদের দেশে’, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে কাব্য ‘নি:সঙ্গঁ সোনালি চিল’, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে ছড়া ‘গ্রীষ্মের দুপুরে’, ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ছড়া ‘দৈত্যরাজ ও রাখাল রাজা’ এবং ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ‘ওই চোখের গহীন দহে’ প্রকাশিত হয়। তার সাহিত্যপ্রকরণ ছন্দময়, চিত্রকল্পে সমৃদ্ধ ভাবরসে পরিপূর্ণ। একই সাথে সুখ পাঠ্যও।

তিনি টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার, ছায়ানীড়, বংশাই সাহিত্য সংসদসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক সংগঠনের সাথে জড়িত।

একটি রিপ্লাই দিন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.